Free Resources during COVID-19 for Students & Small Business (worth $10,000++)

স্টিকি

 

This article was  Published first on tafsirony.com

অনেকদিন পর কিছু লিখতে বসলাম।আগে onykhan.wordpress.com এখানে লিখতাম, এখন থেকে এই নতুন ব্লগেই লেখার চেষ্টা করবো। সবকিছু বন্ধ তাই আপাতত বাসাতেই নিরাপদ সময় পার করছি।করোনা ভাইরাসের(Covid 19) জন্যে পুরো বিশ্ব একদম থেমে গেছে।আগে প্রতিদিন জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির বানানো ম্যাপে করোনা ভাইরাসের আপডেট  দেখতাম । এখন আর দেখিনা ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাই Logarithmic গ্রাফ দেখে । এখন আর তাই চেকও করিনা।

যেহেতু ইউনিভার্সিটি বন্ধ তাই এই সময়ে অনলাইন কোর্স গুলো করার চেষ্টা করছি। যেহেতু ওয়ার্ল্ডওয়াইড এই প্যান্ডেমিক সিচুয়েশন চলছে এবং সবাইকে বাসাতেই নিরাপদ থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে । এই সময়টাকে প্রোডাক্টিভ করার জন্যে বিভিন্ন এডুকেশনাল ইন্সটিউট এবং ইন্সট্রাকটররা  তাদের প্রিমিয়াম কোর্স গুলো সীমিত সময়ের জন্যে ফ্রিতে এক্সেস করার সুযোগ দিচ্ছে।

আমি কিছু কোর্সে অলরেডি এনরোল করেছি, আশা করি নিজের স্কিল কিছুটা ডেভেলপ করতে পারবো এই সময়টাতে আর যদি বেচে থাকি সবকিছু আবার আগের মত হয় স্কিল গুলোকে কাজে লাগানোর সু্যোগ করতে পারবো। যেহেতু আমি উপকৃত হচ্ছি তাই ভাবছিলাম আমার পাঠক যারা নিজেদের স্কিল সেট ডেভেলপ করতে চায় তাদের জন্যে এই রিসোর্স গুলাকে লিস্ট করে ফেলি। আপনার রিলেটেড কোর্স  বাসায় বসে করে ফেলতে পারেন।

মূলত ফেসবুকে কোডকাডেমি প্রো নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যাতে প্রায় ৭৬৩+ ক্লিক পড়ে দু একজন শেয়ারও করে , সেই থেকে মুলত এই লেখাটি লেখার অনুপ্রেরণা পাওয়া।

 

তাই ভাবলাম আরো কিছু রিসোর্স লিস্ট করে একটা পুর্নাঙ্গ লেখা পাবলিশ করে ফেলি। তো আমি কয়েকটি ভাগে এই লিস্ট টাকে বিভক্ত করছি যাতে আপনি যে ইন্ডাস্ট্রির সেই কোর্স সহজে খুজে পান। শেষে কিছু সার্ভিসের তালিকা দিবো যা আপনার কোম্পানির গ্রোথ এবং ম্যানেজমেন্ট এ সাহায্য করবে।

করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত কোর্স

  • ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন WHO এর কোর্স-> https://bit.ly/3dEStl7
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালনায়  করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সম্পর্কিত অনলাইন প্রশিক্ষণ -> https://bit.ly/2QUuEfs
  • কোভিড-১৯ সচেতনতা ও প্রতিকার by BRAC ->https://bit.ly/2yl5bWe
  • Managing COVID-19 in General Practice by FutureLearn ->https://bit.ly/2JoCSIF
  • Understand the emergence of COVID-19 and how we respond to it going forward by FutureLearn -> https://bit.ly/2JqXf8g
  • Coronavirus – What you need to know by Alison.com -> https://bit.ly/2JCxX7f
  • Science Matters: Let’s Talk About COVID-19 by Imperial College London – > https://bit.ly/2yffx9W

 

পোগ্রামিং & টেকনোলজি

আপনি যদি ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা ডাটা সায়েন্স শিখতে চান আপনার জন্যে স্বর্গ হচ্ছে কোডকাডেমি এই মুহুর্তে তারা তাদের প্রিমিয়াম কোর্স ফ্রি দিচ্ছে সকল স্টুডেন্টদের জন্যে, ইউনিভার্সিটি মেইল ইউজ করে সাইন আপ করলে আপনি হয়ে যাবেন কোডকাডেমি প্রো মেম্বার।

কোডকাডেমি

Codecademy এর প্রিমিয়াম এক্সেস -> https://bit.ly/codecademycovid19

Codecademy এর প্রিমিয়াম এক্সেস -> https://bit.ly/codecademycovid19

 

টেক দুনিয়ার Udacity এর নাম সবাই জানি। তাদের ন্যানোডিগ্রি প্রোগ্রাম যেকোন পেইড কোর্স থেকে তুলনাহীন, কেননা তাদের ন্যানোডিগ্রি কোর্স গুলো মূলত Google এর ইঞ্জিনিয়াররা মিলে তৈরি করে এবং যথেষ্ট এক্সপেনসিভ হয় এজন্যে। খুব অল্প সময়ের জন্যে হলেও Udacity তাদের ন্যানোডিগ্রি প্রোগ্রাম এক মাসের জন্যে ফ্রি এক্সেস দিচ্ছে । যদিও তারা তাদের এই ব্লগে লিখেছে সামনের সপ্তাহে তারা আরো নতুন সুযোগ দিবে কিনা তা নিয়ে ভাবছে । udacity ss

ন্যানোডিগ্রি প্রোগামে মূলত ক্যারিয়াস সেন্ট্রিক কোর্স থাকে। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট, ডাটা সায়েন্টিস্ট , গেম ডেভেলপার,  সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট , আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স , UX ডিজাইন  মত বিষয়ে ইন্ডিভিজুয়াল কোর্স আছে এই প্রোগ্রামে।

সম্প্রতি কোর্সেরা (Coursera) তাদের সাইটে অনেকগুলা কোর্স উন্মুক্ত করে দিয়েছে যার মধ্যে আছে হেলথ অ্যান্ড ওয়েল বিয়িং, ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট , ক্লাউড টেকনোলজি সহ ৮৫++ কোর্স পুরো লিস্ট পেতে ক্লিক ->https://bit.ly/3dGTnxF

coursera

Coursera এর অফিশিয়াল ব্লগ : https://bit.ly/3dGTnxF

এই মুহুর্তে সবচেয়ে মান সম্পন্ন কোর্স যদি কোন অনলাইন প্লাটফর্মে থেকে থাকে তা হলো কোর্সেরা কারণ সারাবিশ্বের সব সেরা ইউনিভার্সিটির টপ ফ্যাকাল্টিরাই এখানে কোর্স বানান । কাজেই আপনার জন্য Coursera হতে পারে টপ কোয়ালিটি লার্নিং প্লাটফর্ম । বেশ ভাল কিছু কোর্স এই মুহুর্তে ওপেন করে দেয়া হয়েছে কোভিড-১৯ সিচুয়েশন এর জন্যে , বাসায় বসে নিজের স্কিল ডেভেলপ করার এটাই মূখ্য সুযোগ। তবে প্রিমিয়াম কোর্স ফ্রিতে দেয়ায় আপনি কোন সার্টিফিকেট পাবেন না কোর্সেরা থেকে, সার্টিফিকেটের জন্যে ৪৯ ডলার পে করতে হবে।

Coursera Cloud

ক্লাউড টেকনোলজি কোর্স পুরো লিস্ট পেতে ক্লিক -> https://bit.ly/3dGqMZb

ক্লাউড টেকনোলজি কোর্স পুরো লিস্ট পেতে ক্লিক -> https://bit.ly/3dGqMZb

ক্যারিয়ার/লিডারশিপ ডেভলপমেন্ট কোর্স পুরো লিস্ট পেতে ক্লিক -> https://bit.ly/2R05Um5

উল্লেখ্য Coursera এর কোর্সগুলোর অফার ভ্যালিড থাকবে 5/31/2020 পর্যন্ত।

নিচের লিস্টে Machine Learning,Data Analysis,Robotics ,Algorithm,Software Development,Block Chain বিষয়ক ফ্রি কোর্সের তালিকা দেয়া আছে । গিটহাব থেকে পাওয়া পুরো রিসোর্স্ টি সুন্দর করে লিস্ট করেছেন রাহুল আগারওয়াল নামের  ভদ্রলোক ।

coursera ss

সম্পূর্ণ  তালিকাটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

PluralSight এর নাম টেক দুনিয়ায় সবাই জানি। সম্পুর্ন প্রিমিয়াম টিউটোরিয়ালে সমৃদ্ধ প্লুরালসাইট। DevOps ,Cyber Security , Software Architecture, Data Science , Cloud Computing এর মত বিষয় গুলো শিখতে চাইলে প্লুরালসাইট হতে পারে আপনার জন্যে বেস্ট প্লাটফর্ম।সুখবর হচ্ছে প্লুরালসাইট পুরো এপ্রিল জুড়ে তাদের সব কোর্স ফ্রিতে দিচ্ছে।

pluralsight

 

প্লুরালসাইটের কোর্স ফ্রিতে পেতে এখানে ক্লিক করুন

আমার কাছে ভিডিও লেকচার থেকেও বেশি ভাল লাগে ইন্টারেকটিভ টিউটোরিয়াল গুলো, যেমনটা কোডকাডেমি করে। এমন আরো একটি প্রিমিয়াম রিসোর্স হচ্ছে Packt । যারা মূলত ইন্টারেকটিভ ওয়ার্কশপ বেসড টিউটরিয়াল প্রোভাইড করে। তাদের ওয়ার্কশপ এর প্রাইস $24.99 থেকে $39.99 পর্যন্ত । সুখবর হচ্ছে কোভিড ১৯ এর সময়ে তারা তাদের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডাটা সায়েন্স ও প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বিষয়ক ১২ টি ওয়ার্কশপ ফ্রি দিচ্ছে। এনরোল করতে PACKTFREE প্রোমোকোড ব্যবহার করতে হবে। 

Packt এর ওয়ার্কশপ ফ্রিতে পেতে এখানে ক্লিক করুন। 

সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশি প্লাটফর্ম গুলোও কিন্তু বসে নেই, বাংলাদেশের এডুটেক স্টার্টাপ বহুব্রিহী তাদের ৩ টি কোর্স এই কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে ফ্রিতে এক্সেস দিচ্ছে।বাংলাদেশের কেউ এমন সুযোগ দিচ্ছে সেটা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সম্পুর্ন বাংলা ভাষায় তাদের প্রিমিয়াম কোর্স তারা বিনামুল্যে দিচ্ছে। তারা খুব অল্প সময়ে ৪৮ টি বাংলা কোর্স নিয়ে এসেছে।

bohubrihi

কোর্স তিনটি হলঃ

বাংলাদেশের আরো একটি এডুটেক স্টার্টাপ Stack Learner ও এই সময়ে নিজেদের ৩ টি  প্রিমিয়াম কোর্স এক মাসের জন্যে উন্মুক্ত করেছে।কোর্স এনরোল করতে আগে তাদের ফেসবুক পেজে মেসেজ করতে হবে Covid-19 লিখে। মেসেজ করার পরে চ্যাটবট আপনাদের কে একটা গুগল ফর্মের লিংক দিবে, যেটা সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে ফিলাপ করতে হবে। ফর্ম ফিলাপের ২৪ ঘণ্টার ভিতরে তারা আপনাকে এক্সেস দিবে । তবে ফর্ম ফিলাপের পূর্বে তাদের  ওয়েবসাইটে একাউন্ট ক্রিয়েট করে নিবেন যদি আগে থেকে না থেকে থাকে। তাদের ওয়েবসাইট লিংক-> courses.stackschool.co

তাদের কোর্স তিনটি হলঃ

 

আপনি যদি Game Development এ আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে আপনার জন্যে সুখবর। Unity নাম শুনিনি এমন কেউ নেই যারা গেম ডেভলপমেন্ট করতে চাই। কোভিড-১৯ এই আউটপব্রেকে গেম ডেভেলপমেন্ট স্কিল কে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে Unity তাদের প্রিমিয়াম কোর্সে ৩ মাসের ফ্রি এক্সেস দিচ্ছে। unity

Unity প্রিমিয়াম কোর্সে একদম স্টেপ বাই স্টেপ গেম ডেভেপমেন্ট টিউটোরিয়াল রয়েছে।যেকোন বিগিনার এই লিংক থেকে তাদের কোর্সে এনরোল করতে পারেন।

আর কম্পিইউটার সায়েন্স রিলেটেড সব একাডেমিক কোর্স পেতে ঘুরে আসতে পারেন MIT Open CourseWare থেকে । আন্ডারগ্রাড, গ্রাডুয়েট পুরো প্রোগ্রাম একদম সাজানো আছে এই ওয়েবসাইটে, কাজেই যারা এক্সট্রা কারিকুলার স্কিল এর এর চেয়ে একাডেমিক স্কিল বেশি ডেভেলপ করতে চাচ্ছেন তাদের জন্যে MIT নিয়ে আর আলাদা করে কিছু বলার নাই। নাম্বার ওয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির কোর্স ঘরে বসেই করে ফেলতে পারেন এই লিংক থেকে। MIT এর মত Harvard University এরও অনলাইন কোর্স করতে পারেন এই লিংক থেকে।

আর আপনার যদি আমার মত প্রোগ্রামিং খুব একটা ভাল না লাগে বাট নিজেকে একজন ম্যানেজার হিসেবে প্রস্তুত করতে চান তাহলে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক এই ডিপ্লোমা কোর্স করে ফেলতে পারেন।

Diploma in Modern Project Management -> https://bit.ly/39npOhi

Alison.com এর প্রচুর ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে এবং তা সম্পুর্ন বিনামুল্যে । ওদের ওয়েবসাইট থেকে ঘুরে আসতে ক্লিক করুন-> Alison.com

 

ডিজিটাল মার্কেটিং

পুরো দুনিয়া চলছে এখন কন্টেন্ট এর উপর , কারন সবাই জানি Content is the King । আর গুগলে যদি আমরা কোন বিষয়ে সার্চ করি তাহলে ব্লগ টাইপ  ওয়েবসাইটই বেশি দেখতে পাই। আর কিভাবে ব্লগিং শুরু করবেন , কন্টেন্ট তৈরি করবেন তা শিখতে পারেন এনরোল করতে পারেন এমন কিছু কোর্স এর তালিকা নিচে দিচ্ছি।

ব্লগিং নিয়ে আগ্রহী থাকলে এনরোল করতে পারেন বিখ্যাত ব্লগার Darren Rowse এর  ProBlogger এর কোর্স।এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনলাইন দুনিয়ায় আরো একজন জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার হলনে Patt FLynn। কোভিড ১৯ এর সিচুয়েশন উনার $249 সমমূল্যের কোর্স সম্পুর্ন উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

Smart from Scratch®  কোর্সে প্যাট ফ্লিন মূলত কিভাবে একটি নতুন বিজনেস আইডিয়া জেনারেট করতে হয় এবং কিভাবে তা এক্সিকিউট করে প্রথম কাস্টোমার অনবোর্ড করতে হয় তা নিয়ে পুরো কোর্সটি সাজিয়েছেন।  কোর্সটি এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন

 

ব্লগিং বিজনেসে মূলত অনেক ব্যাপার থাকে, কন্টেন্ট লেখা, রিসার্চ করা, কিওয়ার্ড এনালাইসিস করার, আউটরিচ করা, সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পেজে নিয়ে আসা এমন অনেক বিষয়ে আপনি দক্ষ না হলে আপনার ব্লগ গুগলে সার্চ করে মানুষ কখনই পাবেনা। এই সব বিষয়কে একসাথে নিয়ে একটা কমপ্লিট প্রিমিয়াম কোর্স আছে Ahrefs এর, যারা মূলত SEO Tools প্রোভাইড করে।

ahrefs

Ahrefs এই প্রিমিয়াম কোর্স এখন সবার জন্যে উন্মুক্ত , এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন

 

Ahrefs এর মত আরো একটি প্রিমিয়াম SEO Tool হল Moz । তারাও এই কোভিড-১৯ সিচুয়শনে তাদের  প্রায় $2500 সমমানের কোর্স উন্মুক্ত করে দিয়েছে। তাদের কোর্স এনরোল করতে আপনাকে “wegotthis” প্রোমোকোড ইউজ করতে হবে। Moz একাডেমিতে SEO নিয়ে সবরকম কোর্স রয়েছে। যারা SEO ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে গড়ে তুলতে চান তাদের কাছে কাজে মজ একাডেমির কোর্স একদম রত্ন।

moz Moz এর কোর্স এনরোল করতে করতে এখানে ক্লিক করুন

উল্লেখ্য Moz এর কোর্সগুলোর অফার ভ্যালিড থাকবে 5/31/2020 পর্যন্ত।

যারা WordPress নিয়ে কাজ করেন তারা জানে তাদের সাইতের জন্যে Yoast SEO প্লাগিন কতটা গুরুত্বপুর্ণ। Yoast SEO প্লাগিন ব্যবহার করে সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের পোস্ট বা পেজ সহজে SEO ফ্রেন্ডলি করা যায়। কোভিড-১৯ এর এই সিচুয়েশনে Yoast কোম্পানি কিভাবে সহজে ওয়ার্ডপ্রেস এর SEO করা যায় পাশাপাশি SEO নিয়ে তাদের ৬ টি  পুর্নাঙ্গ টিটোরিয়াল উন্মুক্ত করেছে।

yoast

Yoast এর কোর্স এনরোল করতে করতে এখানে ক্লিক করুন

SEO নিয়ে কাজ করা এমন আরেকজন বিখ্যাত ইনফ্লুয়েন্সার হচ্ছেন Craig Campbell।যিনি SEO ফিল্ডে Backlink King হিসেবে খ্যাত।  কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে যারা SEO নিয়ে আগ্রহী তাদের জন্যে নিজের ৯৯৫ ইউরো সমমুল্যের Advance SEO Course টি উন্মুক্ত করেছেন। Craig Campbell এই কোর্সে ১৫৪ টি লেকচার রয়েছে যা SEO শেখার জন্যে যথেষ্ট । SEO এর এটুজেড নিয়ে তার পুর্নাঙ্গ টিউটোরিয়াল। craigcampbell

Craig Campbell এর কোর্স টি ফ্রিতে এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন

 

ডিজিটাল মার্কেটিং দুনিয়ায় সবচেয়ে ট্রাস্টেড এবং জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান হচ্ছে Digital Markters Lab। কন্টেন্ট স্ট্রাটেজি, ফানেল কনভার্সন, এডভারটাইজিং, ট্রেন্ড এনালাইসিস, কন্টেন্ট মার্কেটিং,কপিরাইটিং, ইমেইল মার্কেটিং , সোশ্যাল মিডিয়া এনালাইসিস এর মত বিষয়ে প্রায় $995 সমুল্যের প্রিমিয়াম কোর্স সীমিত সময়ের জন্যে তারা উন্মুক্ত করেছে।

dgm

Digital Marketers Lab Plus এর ফ্রি এক্সেস পেতে এখানে ক্লিক করুন। যদিও তাদের ওয়েবসাইটে তারা নোটিশে লিখেছে এই সুযোগ ৩১শে মার্চ পর্যন্ত পাওয়া যাবে , তবে তারা সময়কাল বাড়াতে পারে।

 

আরো একটি প্রিমিয়াম SEO টিউটোরিয়াল মেকার প্রতিষ্ঠান হচ্ছে My Traffic Research। কোভিড-১৯ এর এই সিচুয়েশনে ডিজিটাল মার্কেটিং Enthusiast এর জন্যে তাদের বাংকার এডিশন টিউটোরিয়াল একদম উন্মুক্ত । ট্রাফিক রিসার্চ মূলত এফিলিয়েট, ইকমার্স বা সার্ভিস রিলেটেড বিজনেস গুলোর জন্যে বেস্ট রিসোর্স। কিভাবে আরো বেশি ট্রাফিক জেনারেট করা যায় , কিভাবে গুগলের সিক্রেট ফরমুলা ইউজ করে সহজে ওয়েবসাইট র‍্যাংক করা যায় পাশাপাশি Step by Step এফিলিয়েট ওয়েবসাইট টিউটোরিয়াল,গুগুল স্পিড এনালাইসিস, SEO রোডম্যাপ, ব্যাকলিংক বায়িং গাইড এর মত অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয়ক টিউটোরিয়াল তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

trf

My Traffic Research এর বাংকার এডিশন ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

উল্লেখ্য My Traffic Research এর কোর্সগুলোর অফার ভ্যালিড থাকবে 15/4/2020 পর্যন্ত।

 

Link Building যে একটা ওয়েবসাইটের জন্যে কতটা গুরুত্বপুর্ণ তা SEO যারা বুঝে তারাই জানে। অনেকে অনেক ডলার খরচ করেও ভাল লিংক পাননা আবার অনেকে অল্প এমাউন্ট পে করেই স্টং লিংক বিল্ড করে ফেলেন। LRT Associate হচ্ছে এমন আরেকটকি প্রতিষ্ঠান যারা হাই অথরিটি লিংক প্রোভাইড করে থাকে। এছাড়া তাদের একাডেমিতে লিংক বিল্ডিং নিয়ে অনেক প্রিমিয়াম কোর্স রয়েছে।সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং কে প্রোমোট করে তারা তাদের ৪৪৫ ইউরো সমমুল্যের প্রিমিয়াম কোর্স উন্মুক্ত করে দিয়েছে। BackLink Analysis, Link Audit & Penalty Recovery, Competitor analysis , Link Quality Check, Link Prospecting এমন অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস যা অনেক সময় SEO তে আমরা গুরুত্ব কম দেই সেগুলো নিয়েই Christoph C. Cemper এর এই প্রিমিয়াম কোর্স।

lrt  LRT Associate এর প্রিমিয়াম লিংক বিল্ডিং কোর্সটি ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন। 

 

যারা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করেন তারা জানেন কন্টেন্ট এবং এড এর স্ক্রিপ্ট কতটা গুরুত্বপুর্ন। একটা ভাল স্ক্রিপ্ট এড আপনার সেল 3X করে দিতে পারে ঠিক তেমনি আপনার ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি করতে ভুমিকা পালন করে।

ডিজিটাল এড মেকিং এ হারমন ব্রাদার্স বেশ বিখ্যাত নাম। তারা বেশ কিছু ভাইরাল সাকসেসফুল এড তৈরি করেছে যা তাদের ক্লায়েন্টদের মিলিয়ন ডলার সেলস টার্গেট রিচ করতে সহায়তা করেছে। হারমন ব্রাদার্স এর 14 Days Script Challenge নামে একটি কোর্স আছে যেখানে তারা তাদের এড মেকিং এর বিভিন্ন সিক্রেট ফরমুলা শেয়ার করেছে  যা নতুন স্ক্রিপ্ট রাইটার দের জন্যে হতে পারে কমপ্লিট দিকনির্দেশনা। $197 সমমুল্যের এই চ্যালেঞ্জ টি তারা এই মুহুর্তে ফ্রিতে এক্সেস দিচ্ছে।

harmon

Harmon Brothers এর প্রিমিয়াম  কোর্সটি ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন। 

আর আপনি যদি একদম বেসিক আর্টিকেল রাইটিং বা কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এ আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে Nevil এর  কপিরাইটিং কোর্স হতে পারে আপনার জন্য অনুপ্রেরণা।CopyWritting কোর্সটি পেতে এই লিংকে ক্লিক করুন

যারা ডিজিটাল মার্কেটিং করেন তাদের জন্যে অলটাইম প্রিমিয়াম ফ্রি রিসোর্স কিন্ত আছেই। আর তা হল Hubspot Academy। হাবস্পটে মার্কেটিং, কন্টেন্ট, এডভারটাইজিং, ইনবাউন্ড,আউটবাউন্ড , গ্রোথ মার্কেটিং, লিড জেনারেশন,সেলস বিষয়ক  সব কোর্স সবসময়ের জন্যে ফ্রি। আর হাবস্পট ফ্রি হলেও কিন্তু সার্টিফিকেট প্রদান করে এবং বেশ ভ্যালুয়েবল। হাবস্পটের একাডেমির লিংক পেতে এখানে ক্লিক করুন।

এবার শেয়ার করবো মার্কেটিং এর সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ আর ভ্যালুয়েবল কোর্স ।

CXL হল সারা বিশ্বের মধ্যে অন অব দা টপ CRO এজেন্সি । পাশাপাশি সব টপ কোম্পানিকে তারা মার্কেটিং ট্রেনিং প্রোভাইড করে।ক্লায়েন্ট লিস্টে আছে Google,HP,CISCO,NORTON,IKEA এর মত কোম্পানি। CXL মূলত অপটিমাইজেশন কনভার্সেশন নিয়ে কাজ করে। এছাড়া কাস্টোমার একুইজিশন, গ্রোথ মার্কেটিং নিয়ে রয়েছে তাদের প্রিমিয়াম কোর্স। সম্প্রতি কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে মার্কেটিং প্রফেশনালদের নিজেদের স্কিল সেট এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে তারা তাদের গ্রোথ মার্কেটিং মিনিডিগ্রি কোর্সটি উন্মুক্ত করে।যার ভ্যালু $899

cxl

CXL Institute এর Growth Marketing MiniDegree কোর্সটি ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন। এখানে গেলে এপ্লাই করার ফর্ম পাবেন। আপনার সব ইনফর্মেশন দিয়ে এপ্লাই করলে ২-৪ বিজনেস ডে এর মধ্যে ওরা আপনার এপ্লিকেশন রিভিউ করে আপনাকে মেইলে এক্সেস দিবে। আপনি এক্সেস পেলে সেই সময় থেকে ১২ সপ্তাহের জন্য ফ্রি লার্ন করতে পারবেন।

Maxwell Finn যিনি মুলত খ্যাত পেড এড ট্রেনার হিসেবে তিনিও তার সকল কোর্সে এসময়ে অফার করেছেন।ম্যাক্সওয়েল ফিন গত ১০ বছর ধরে  পেইড ট্রাফিক নিয়ে যারা কাজ করছেন। তাকে বলা হয় ফেসবুক এড মাস্টার।তার এজেন্সি থেকে বহুজাতিক কোম্পানিকে সার্ভিস দিয়েছেন। পেইড ট্রাফিক একাডেমিতে Google, Facebook, Instagram, LinkedIn মার্কেটিং নিয়ে আলাদা আলাদা ট্রাফিক জেনারেটিং কোর্স রয়েছে।

paid

Maxwell Finn এর Paid Traffic Academy এর কোর্স ফ্রিতে এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আপনি যদি সেলস বিষয়ক কোর্স খুজে থাকেন, তবে আরো একটি সুখবর। Grant Cardone যিনি একজন আমারিকান নিউ ইউর্ক বেস্ট সেলিং অথর। একইসাথে ওয়ার্ল্ড এর টপ কোম্পানিগুলোর সাথে সরাসরি কাজ করেছেন। তার ক্লায়েন্ট লিস্টে আছে Google, Morgan Stanley, Afflac, AutoTrader, Camping World, Web Filings, NOVA University, Wayne Huizenga School of Business, Kawasaki, Cenegenics, Reinhardt Food Service, Carrier HVAC এর মত কোম্পানি। cardon

Grant Cardone এর কোর্স ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

 

আরো কিছু কোর্সঃ

কনেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আরো স্টাডি করতে পারেন Conetent Marketing Conference Academy থেকে। তাদের কোর্সটিও এখন ফ্রি পাওয়া যাচ্ছে। এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন। 

কমিউনিকেশন স্কিল ডেভলপমেন্ট করতে চাইলে ৫ দিনের একটি বুটক্যাম্প আছে Call2Action এর যা এই সময়ে ফ্রিতে পাওয়া যাচ্ছে। কোর্স এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন। এনরোল করার সময়ে “future” এই প্রোমোকোড ইউজ করতে হবে। 

ইনবাউন্ড মার্কেটিং ও কোল্ড ইমেইল আউটরিচ নিয়ে ফ্রি কোর্স করতে পারেন Blueprint Training থেকে। কোর্সে এনরোল করতে এখানে ক্লিক করুন

এমাজন এফিলিয়েট, সিপিএ মার্কেটিং, ইথিকাল হ্যাকিং , মার্কেটিং সহ প্রায় ২৫ টি প্রিমিয়াম কোর্স এসময়ে ফ্রিতে দিচ্ছে BitDegree । ফ্রি কোর্স তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

 

ড্রপশিপিং

ড্রপশিপিং এই মহুরতে ট্রেন্ডিং ইকমার্স বিজনেস। নিজের কোন ইনভেন্টরি ছাড়াও যে ইকমার্স বিজনেস করা যায় তার জ্বলজ্যন্ত উদাহরণ ড্রপশিপিং। বর্তমানে ড্রপশিপিং বিজনেস এর ভ্যালু কয়েক বিলিয়ন ডলার। ড্রপশিপিং করে ইন্ডিয়াতে বসে একজন আমেরিকাতে ইকমার্স বিজনেস করতে পারছে। আমাদের দেশেরও অনেকেই ড্রপশিপিং এর সাথে জড়িত। ড্রপশিপিং ওয়েবসাইট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় Shopify । বর্তমানে শপিফাই কোভিড-১৯ সিচুয়েশনে ইকমার্স বিজনেরস নিওবিদের সাপোর্ট করতে তাদের ট্রায়াল প্লান ১৪ থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করেছে।

Shopify ৯০ দিনের ট্রায়াল পেতে এখানে ক্লিক করুন

ডপ্রশিপিং নিয়ে দারুন একটি কোর্স আছে Oberlo এর যার মূল্য প্রায় $49.90 । শপিফাই এর সুযোগ কে স্বাগত জানিয়ে তারাও তাদের কোর্স উন্মুক্ত করে দিয়েছে। কোর্সটি পেতে “LEARNFROMHOME” প্রোমোকোড ব্যবহার করতে হবে। oberlo

Oberlo এর প্রিমিয়াম কোর্সটি ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

 

বই ,রিসার্স পেপারস ডিজিটাল লাইব্রেরি

 

আদর্শ পাব্লিশার্স এর নাম কমেবশি সবাই জানি।হোম স্টে কে সাপোর্ট করতে তাদের কিছু বেস্ট সেলিং বই অনলাইনে ফ্রিতে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে।আদর্শ রিডার্স কমিউনিটি নামে তারা একটি গুগল গ্রুপে তারা ঝংকার মাহবুব,রাগিব হাসান,চমক হাসান,মুনির হাসান সহ আরো অনেকের প্রায় ২৬ টি বাংলা বই আপ্লোড করেছে যেগুলার অনেকগুলো বইমেলার বেস্টসেলিং বই ছিল।

 

 

 

 

বইগুলো পেতে এখানে ক্লিক করুন

গবেষণাধর্মি বিভিন্ন রিসার্স পেপার, জার্নাল,অডিওবুক, বেস্টসেলিং বই এর একটি প্রিমিয়াম প্লাটফর্ম হচ্ছে SCRIBD । এইমুহুর্তে তারা তাদের ডিজিটাল লাইব্রেরি এক মাসের ফ্রি এক্সেস দিচ্ছে। সবচেয়ে ভাল খবর হচ্ছে কোনপ্রকার ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই এই এক্সেস পাওয়া যাবে।

SCRIBD এর প্রিমিয়াম এক্সেস ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

কম্পিটারসায়েন্স রিলেটেড সবচেয়ে বড় ডিজিটাল লাইব্রেরি রয়েছে ACM এর । এই সময়ে এসিএম ও তাদের লাইব্রেরিতে আগামি ৩ মাসের জন্যে ফ্রিতে এক্সেস দিচ্ছে।এ নিয়ে এসিএম কতৃপক্ষ তাদের ব্লগে একটি আপডেট পোস্ট করে। যারা কম্পিউটার সায়েন্স এর স্টুডেন্ট তারা বেশ ভালভাবেই জানে যে এসিএম এর প্রতিটা রিসোর্স কতটা ভ্যালুয়েবল।

ACM এর ডিজিটাল লাইব্রেরি ফ্রিতে এক্সেস পেতে এখানে ক্লিক করুন

 

টুলস এন্ড সার্ভিস

কিছু SAAS সার্ভিস যা আপনার বিজনেস কে হেল্প করতে পারে এই সময়ে। AppSumo  এর ব্লগে পাব্লিশ বেশ কিছু সারভিস যা বিভিন্ন কোম্পানি ফ্রি/ডিস্কাউন্ট প্রাইসে দিচ্ছে। আমি কিছু উল্লেখযোগ্য সার্ভিসের লিস্ট নিচে দিচ্ছি। appsumo saas

প্রিমিয়াম রয়েলটি ফ্রি ইমেজ সার্ভিস YAYImages এগিয়ে এসেছে। “YAYHELP” প্রোমোকোড ইউজ করে সাইন আপ করলেই তিন মাসের জন্যে তাদের সার্ভিস ফ্রি পাবেন। YAYImages এর সাবস্ক্রিপশন ৩ মাসের জন্যে ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

 

Multimedia5 আরো একটি কোম্পানি যারা শর্ট ভিডিও এড মেকিং করতে সহায়তা করে। তাদের ওয়েবসাইটে কয়েক হাজার প্রিমিয়াম টেমপ্ললেট রয়েছে যা দিয়ে সহজেই আপনার বিজনেসের জন্যে এড বানাতে পারবেন। সকল বিজনেসকে সাপোর্ট করতে তারাও তাদের সাভির্স এই মুহুর্তে ফ্রিতে দিচ্ছে।Multimedia5 এর ফ্রি সাবস্ক্রিপশন পেতে এখানে ক্লিক করুন।  

মাল্টিপল Social Media সহজে ম্যানেজ করার একটি প্রিমিয়াম টুল হল HootSuite । হুটসুট ইউজ করে সহজেই ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, পিন্টারেস্ট সহ আর অনেক মিডিয়া একসাথে ম্যানেজ ও ট্রাক রাখতে পারবেন। HootSuite ও এই সময়ে সব বিজনেস কে সাপোর্ট করতে তাদের টুলটি ফ্রিতে দিচ্ছে । সাবস্ক্রিপশন পেতে এখানে ক্লিক করুন

SpyFu কম্পিটিটর ওয়েবসাইট ট্রাক করার অসাধারণ একটি তারাও তাদের সার্ভিস নিয়ে এগিয়ে এসেছে। এ নিয়ে তাদের সিইও এর এইটি ভিডিওবার্তা স্পাইফুর ব্লগে পাবলিশ হয়েছে।কিভাবে তাদের সাবস্ক্রিপশন ফ্রি পাবেন জানতে এখানে ক্লিক করুন

যারা স্ক্রিন রেকর্ডার সফটওয়্যার খুজি তারা সবার আগে প্রেফার করি TechSmith এর সফটওয়্যারগুলো। তারাও তাদের SnagIT স্ক্রিন রেকর্ডার টুল সম্পূর্ণ ফ্রিতে দিচ্ছে। বিস্তারিত এখানে

আমাদের দেশেরও একটি কোম্পানি রিমোট ওয়ার্ককে সাপোর্ট করতে তাদের একটি সার্ভিস নিয়ে এগিয়ে এসেছে । আপনারা সবাই এই কোম্পানিকে চিনেন তাই আলাদা করে আর কিছু লিখলাম না । হ্যা বলছিলাম weDevs এর কথা যারা তাদের প্রিমিয়াম WP Project Manager আগামি তিন মাসের জন্যে ফ্রিতে দিচ্ছে। বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন

এমন আরো অন্যান্য কোম্পানির অফার দেখতে এই লিংকে ঘুরে আসতে পারেন।

মেন্টাল হেলথ

একটু ভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করি। এত এত মৃত্যু , আর ঘরে বসে বসে অনেকেই ডিপ্রেশনে পড়ে যাচ্ছেন,মেন্টালি উইক হয়ে যাচ্ছেন। এই সময়ে নিজেকে শক্তিশালি রাখতে নিজের ফ্যামিলির সাথে থাকুন। সবার সাথে কথা বলুন, বন্ধুদের সাথে অনলাইনে আড্ডা দিন।

একদমই খারাপ লাগলে মেন্টাল হেলথ বিষয়ক এই কোর্স করতে পারেন।

ফ্যামিলির মাঝে বন্ধুদের আড্ডা কোনকিছুই যদি আপনাকে না ছুতে পারে, যদি ভাবেন আপনার কথা কেউ শুনছেনা বা আপনি কারো সাথে শেয়ার করতে পারছেন না তারা “কান পেতে রই” এর সাথে কানেক্টেড হতে পারেন।

কান পেতে রই বাংলাদেশের প্রথম মানসিক সহায়তা হেল্পলাইন, যেখানে যে কেউ ফোন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে জরুরী মানসিক সেবা পেতে পারেন। তাদের মূল উদ্দেশ্য সমাজের অনেক মানুষের মনে হতাশা, একাকীত্ব, মানসিক চাপ এবং আত্মহত্যার প্রবণতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করা, তাদের মানসিক সমর্থন জোগানো। এই লক্ষ্যটি মাথায় রেখে কান পেতে রই গোপনীয়তা এবং সহমর্মিতার সাথে, সম্পুর্ন খোলা মনে মানুষের কথা শোনে। বিশ্বের ৪০টি দেশে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা আত্মহত্যা রোধ করা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় উন্নয়নের জন্যে অনেক অবদান রাখছে। বাংলাদেশে কান পেতে রই এই ধরনের প্রথম প্রতিষ্ঠান। শুক্রবার থেকে বুধবার দুপুর ৩ টা থেকে রাত ৯টা এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত তাদের ফোন করতে পারেন

কান পেতে রই এর হেল্পপাইন এবং আরো বিস্তারিত জানতে তাদের ওয়েবসাইট লিংকঃ http://shuni.org/

ফেসবুক পেজঃ https://www.facebook.com/kaan.pete.roi/

 

আমি চেষ্টা করেছি ইন্টারনেট ঘুরে বিভিন্ন রিসোর্স থেকে এই তালিকাটি তৈরি করতে। হয়তো আরো অনেক কিছু আছে আমি মিস করে গেছি।কমেন্ট বক্সে আমাকে সেগুলো সম্পর্কে জানাতে পারেন, আমি সেই রিসোর্সটি যুক্ত করে দিবো। লেখাটি ভাল লাগলে আপনার কমিউনিটির মধ্যে শেয়ার করতে পারেন, হয়তো আরো অনেকেই এই রিসোর্সগুলো পেয়ে উপকৃত হবেন। আর চেষ্টা করুন বাসাতেই থাকতে , একদমই প্রয়োজন না হলে বের না হওয়াই শ্রেয়। কারণ জীবনতো একটাই।

ধন্যবান্তেঃ স্কট কাউলি , এপসুমো , ক্লাস সেন্ট্রাল , নাবিল রহমান ,আহনাফ হামিদ এবং আরো অনেকে যারা আমাকে এই বিভিন্ন রিসোর্সগুলো পেতে সহায়তা করেছেন।

সি.ভি রমন – গ্রেট ইন্ডিয়ান পদার্থবিদ

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

ভার্সিটির ফার্স্ট ইয়ারে লিখালিখি নিয়ে যখন খুব উচ্ছ্বসিত ছিলাম এক ভাইয়ের অনুরোধে একটি অনুবাদ লিখেছিলাম। লিখেছিলাম সি.ভি রমন সম্বন্ধে , লেখাটি একটি ম্যাগাজিনে প্রকাশ হবার কথা থাকলেও পরে আর হয়ে উঠেনি।তাই ব্যক্তিগত ব্লগে এতদিন পরে মনে হলে টুকে রাখি।

Image result for cv raman

 

গ্রেট ইন্ডিয়ান পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর ভেঙ্গট রমন,যিনি সি.ভি রমন নামেই বেশী পরিচিত ১৯৮৮ সনের ৭ই নভেম্বর তামিল নাডুর ত্রিরুচিড়াপল্লীতে জন্মগ্রহণ করেন।তার বাবা ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক তাই অনেকটা স্বাভাবিকভাবেই তার পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসা ছিলো।বাল্যকাল থেকেই তিনি বেশ মেধাবী ছাত্র ছিলেন।মেধাবী ও প্রগতিশীল ছাত্র হওয়ায় মাত্র ১২ বছর বয়সেই মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যট্রিকুলেশন পাশ করেন।তার বাবা-মা তাকে উচ্চশিক্ষার জন্যে ইংল্যান্ড পাঠাতে চেয়েছিলেন কিন্তু দুর্বল স্বাস্থ তাকে অনুমতি দেয়নি।তিনি হিন্দু কলেজ,ভিসাখাপত্তনাম এবং প্রেসিডেন্সী কলেজ,মাদ্রাজ থেকে অধ্যয়ন করেন।১৯০৭ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে শীর্ষস্থান নিয়ে স্নাতকোত্তর লাভ করেন।ছাত্রকালীন সময় তিনি বিভিন্ন গবেষণার সাথে জড়িত ছিলেন এবং অনেক স্বনামধন্য ম্যাগাজিনে তার কাগজপত্র প্রকাশ করেন।

একই বছর ১৯০৭ সালে রমন ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ১ম স্থান অর্জন করেন এবং কলকাতায় সহকারী মহাহিসাবরক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।সেখানে তিনি বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড.অম্রিতাল সরকার এর সংস্পর্শে আসেন যিনি ইন্ডিয়ান এ্যাসোসিয়েশনের বিজ্ঞান প্রসার বিষয়ক সচিব ছিলেন।ড.সরকারের সাথে এই পরিচয়ই তরুণ এই বিজ্ঞানীর জীবনে বাঁক এনে দেয়।

পদার্থবিজ্ঞানে তার আগ্রহ গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী ছিল এবং তাই তিনি এ্যাসোসিয়েশনের গবেষণাগাড়ে তার গবেষণার জন্য অতিরিক্ত সময় কাটাতেন।তার গবেষণা ফল কলকাতার শীর্ষস্থানীয় জার্নালে প্রকাশ হতো,এখন যে কলকাতা তখন আলো প্রসারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে ছিল।এই মৌলিক গবেষণাপত্র গুলোর গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য ছিলো।

যখন এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য আশুতোষ মুখার্জীর নজরে পড়ে তখনি তিনি তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত দেন।বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সময়েও তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে তার গবেষণা অব্যাহত রাখেন এবং পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে অপরিমেয় সম্মান ও স্বীকৃতি বয়ে আনেন।

১৯২৪ সালে তিনি লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।১৯২৮ সালে তিনি “রমন প্রভাব” আবিষ্কার করেন।১৯৩০ সনে তিনি এর জন্যে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পদকে ভূষিত হন।তিনিই প্রথম ভারতীয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম এই মর্যাদাপূর্ন সম্মান লাভ করেন।এ পদক প্রাপ্তি তার সম্মান দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে এবং তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানসূচক পিএইচডি ও ডি.এস.সি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯২৭ সালের ডিসেম্বর,যখন জানতে পারলেন সুপরিচিত পদার্থবিদ এ.এম কম্পটন বিক্ষিপ্ত এক্স রশ্মিতে তরঙ্গদৈর্ঘের পরিবর্তন আবিষ্কারের জন্য নোবেল পদক পান তখন তিনি গবেষণাগাড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিলেন

Related image

টি কম্পটন ইফেক্ট নামে পরিচিত হয়ে ওঠেএই আবিষ্কারে উৎসাহিত হয়ে রমন তার পরীক্ষা চালিয়ে যান এবং অবশেষে প্রমান করেন আলোক রশ্মিও বিক্ষিপ্ত হতে পারে।তার আবিষ্কার পদার্থের অণু ও পরমাণুর সম্ভাব্য শক্তিমাত্রা বিশদভাবে বর্ণনা করে এবং তাদের আণবিক গঠন সম্পর্কেও চিত্রিত করে।আলোর বিচ্ছুরণের উপর তার এ আবিষ্কার অবলোহিত বর্ণালীবীক্ষণ যথা রমন বর্নালীবীক্ষন করার একটি সহজ পন্থার দিকে নেতৃত্ব দেয়।যখন ফোটন কণা হতে মাঝারি ধরণের আলোকশক্তি বিক্ষিপ্ত হয় তখনই রমন প্রভাব ঘটে।বর্নালীর বর্ণচ্ছটা স্বচ্ছ মাধ্যমের প্রকৃতির সাথে পরিবর্তন হয়।রমন প্রভাব ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তাৎপর্য হয়ে ওঠে এবং তার সাহায্যে ২০০ এর বেশি যৌগের গঠন পরিচিতি সম্ভব হয়েছে।তিনি এছাড়াও আমাদেরকে আকাশ ও সমুদ্রের নীল রঙ এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

Image result for সি.ভি রমন

তিনি ব্যাখ্যা করেন, পানির অণু দ্বারা সূর্যালোক বিক্ষিপ্তের ফলেই সমুদ্র নীল হয়।তিনি তার আবিষ্কার এবং গবেষণার ওপর বক্তৃতা প্রদানে ব্যাপকভাবে বিদেশ ভ্রমণ করতেন।১৯৩৩ সালে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স,বেঙ্গালুরুর পরিচালক নিযুক্ত হন।১৯৪৩ সালে তিনি বেঙ্গালুরুতে রমন রিসার্চ ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।১৯২৭ সালে নাইটহুড উপাধি পান।১৯৫৪ সালে ভারতরত্ন পুরষ্কার এবং ১৯৫৭ সালে লেনিন পুরষ্কার লাভ করেন।

রমন ছিলেন এক জন্মলগ্ন প্রতিভা এবং গভীর ধর্মবিশ্বাসের সাথে একজন আত্মকৃত বিজ্ঞানী।তার আগ্রহ ব্যাপক এবং গভীর ছিল এবং তাই তিনি মানুষের জ্ঞান এবং উন্নয়নে অবদান রাখতে পেরেছেন।এছাড়া তিনি ধ্বনিবিজ্ঞান এবং শব্দ গবেষণায় ব্যাপকভাবে আগ্রহী ছিলেন।

Image result for raman research institute

বাদ্যযন্ত্রের তাত্বিক তত্ব,তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র যেমন বেহালা,সেতার,পিয়ানো,ভীনা,তানপুরা এবং মৃদাঙ্গাম এ তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।বাদ্যযন্ত্র কিভাবে সুর ও নোট উৎপাদন করে তিনি তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।১৯৭০ সালের ২১শে নভেম্বর পাকা ৮২ বছর বয়সে তিনি বেঙ্গালুরুতে পরলোকগমন করেন এবং তার দেহাবশেষ রমন রিসার্চ ইন্সটিটিউট এর দাহ করা হয়।

আমার ব্রাজিল সমর্থক ছাত্রের সাথে কথোপকথন

কথোপকথন

-স্যার সবচেয়ে বেশি কোন টিম বিশ্বকাপ পেয়েছে?
– ফুটবল না ক্রিকেট?
– ব্রাজিল
– ইয়েস জানিই।
-তুমি ফুটবল খেলা দেখো?
– জ্বী স্যার
– কোন টিম সাপোর্ট করো?
– ব্রাজিল
– ব্রাজিল কেন সাপোর্ট করো?
– স্যার আমি তো জন্মের পর থেকেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি।
– ব্রাজিলের কাকে ভাল লাগে?
– নেইমার
-নেইমার কোথায় খেলে?
– স্যার গোলকি!

ক্লান্তি!

উক্তি

12494960_788259897946421_161502464091561630_n.jpg

ইদানীং হাটতে একটু কষ্ট হচ্ছে
তবুও হাটছি
পাগলের মত হেটে বেড়াচ্ছি
আর,ক্লান্তিহীন পথিকের মত অভিনয় করছি
গন্তব্যটা অজানা
তবে কিছু একটাতো খুজছিই!

আমার আয়রন ম্যান নানা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

শেষ বছর পাঁচেক বা তারও আগে একসাথে নানাবাড়ি তে ইফতার করেছিলাম।আজ আবার সে সুযোগ হল।নানা-নানু,সব মামা-মামী,আন্টি,পিচ্চি কাজিন গুলি (আগে আমি একাই পিচ্চি ছিলাম) , আব্বু-আম্মু ।সারাদিন রোজা থেকে ইফতার এর আগে সবার একসাথে এক বোলে ইফতার তুলনাহীন। অন্য সময় যেখানে সবাই অল্প খেয়ে ইফতার শেষ করে,এদিন যেন সবার বেশি করে ইফতার করার হিড়িক পড়ে।সবার হাসিমুখ আর আড্ডাই তা বলে দেয়।

নানার সাথে আমার আলাদা একটা সখ্যতা ছোট বেলা থেকেই।আমাদের বাসা নানাবাড়ি কাছে হওয়ায় প্রতিদিনই সেখানে পড়ে থাকতাম।নানু ২-৫ টাকা দিতো যা দিয়ে টিকটিকির ডিম(একধরনের চকলেট ছোটবেলা এই নামে ডাকতাম), চিপ্স কিনে খেতাম(২ টাকায় চিপ্স পাওয়া যেত! )। আর মামাদের ড্রয়ারে ১-২ টাকা র কয়েন পেলেই তা নিয়ে আবার দৌড়াতাম।প্রতি ঈদে নামায শেষ করেই নানাবাড়ি ছুটটাম ঈদি নেয়ার জন্যে।নানা ঠিক ১০০ টাকা দিতেন নানুকে দিয়ে সবসময় যেটা আমার কাছে ছিল হাজার টাকার চেয়েও দামী এবং অন্য কারো দেয়া ঈদি থেকেও ।ব্রেকফাস্ট করে তারপর অন্য কোথাও ছুটতাম ঈদির জন্যে।নানার প্রতি শুক্রবার কোথাও না কোথাও দাওয়াত থাকতো আর নানা সাথে করে আমাকে নিয়ে যেত।আজ শুক্রবার উনি আজকেও বলছিল কোথাও দাওয়াত নাই আজ? নানার গার্ডেনিং এর শখ ছিল প্রচুর।আমাদের বাসায় এমন কোন গাছ নেই যেটা উনার হাতের ছোয়া পায়নি।এমন কোন কিছু বাদও যায়নি যা উনি চাষ করেন নাই ছোট্ট একটা বাগানে আম,পেয়ারা,কলা,আখ,ফুলকপি,টমেটো, ধনিয়াপাতা,লাউ,কুমড়া,পুই,পালং,সুপারি, এমনকি ধান পর্যন্ত। শখের কোন কিছুই বাদ দেন নাই।প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী আর কাজপাগল ছিলেন।প্রচুর জীবনীশক্তি থাকায় বুড়ো বয়সেও উনি বসে থাকতেন না যেন একদম চিরতরুণের মত।নানা যেন সত্যিকারের আয়রন ম্যান। আমি মাঝেমাঝেই বল আনতে নানার বাগানে ঢুকে পড়তাম আর বাগানের চারা নষ্ট করে বকা খেতাম।মাঝে মাঝে আম্মুর সাথে রাগ দেখিয়ে নানার বাগান নষ্ট করতাম আম্মুর সাথে না পেরে(আম্মু বলে আমার সাথে না পেরে আমার বাপের বাগান নষ্ট করতি তুই! )। জীবন বেশ রঙিন ছিল ছোটবেলায়।

নানার সাথে দেখা হলেই নানা প্রশ্ন করতেন হাসিমুখে কি খবর অনি সাব।

কিছুদিন আগে নানার ব্রেইন টিউমার এর অপারেশন হয়,আল্লাহর রহমতে অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে নানাও এখন বাসায় নিবিড় পরিচর্যায় আছেন।সবাই নানার জন্যে দোয়া করবেন। এবারো যেন নানার কাছ থেকে হাসিমুখে ঈদি নিতে পারি।

ঈদভ্রমণ আর আমার রঙ্গকাহিনী

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

বারের ঈদটা একেবারে অন্যরকম কেটেছে।প্রতি ঈদেই হয়তো দেখা যায় ঘুমিয়ে ঘুমিইয়ে পিচ্চিদের সাথে মারামারি করে সময়টা কাটিয়ে দেই।এবার সেগুলোর সাথে ছিলো বোনাস ট্র্যাক।যাইহোক আমি প্রতি ঈদেই পুরোটা সময় ফ্যামিলির সাথে কাটিয়ে দেই,আত্মীয়দের বাড়ি যাই(আসলে ঈদির ধান্দা 😛 ) , সবাই কত্ত ভালো বলে তখন আহা!

wp-image-1232086577jpg.jpg

যাইহোক আমি ঈদ করি ঢাকার অদূরে ডেমরা তে । এখানে আমার বন্ধু বান্ধব বলতে পিচ্চিগুলাই।ঈদের দিন ঘুমিয়েই কাটিয়েছি। ঈদের দ্বিতীয় দিন যেই ঘুমোনোর প্রস্ততি  নিবো, তখনই মামার সাথে বেড়িয়ে পড়ার সুযোগ হলো। শীতলক্ষ্যা নদী কাছেই, চলে গেলাম বালুরঘাটে। এর আগেও কয়েকবার গিয়েছি ,নৌকাতেও চড়েছি তবে এদিকটাতে আসা হয়নি। Continue reading

পদ্মার টানে মাওয়া ঘাটে!

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

পূর্বঘোষিত সময় এবং স্থান অনুযায়ী আমাদের ভ্রমণ শুরু হয় সকাল ৭:৩০ মিনিটে। যদিও ঘুম থেকে আমার নিজের উঠতে দেরি হয়ে গিয়েছিলো (এর জন্য দায়ী আমাদের চক্কর গ্রুপের এ্যলার্ম ম্যান সাইফুল)। যাক সে কথা, সবাই মোটামুটি ৮:৩০ এ গুলিস্তান হতে মাওয়ার উদ্যেশ্যে রওনা হই। যাত্রার শুরুর পুর্বে পরিবহন নিয়ে বিতর্ক থাকলে অবশেষে আমাদের সুন্দর ভাবে পৌছে দেয় আনন্দ পরিবহন। আমরা আনন্দের মধ্য দিয়েই তা হয়তো আজ পুরোটা দিন পার করতে পেরেছি
যাত্রা পথে বাসের দুপাশে মনোরম সৌন্দর্য মুগ্ধ করেছে সবার চোখ, যেন সত্যি অপুর্ব ছিল এখনো চোখে ভেসে আছে ।

ধলেশ্বরীর দুমুখী বিশালতা দেখা ,সুন্দর সবুজের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া ,যে দিকেই চোখ যাচ্ছিল শুধু সবুজ আর সবুজ যেন এক সবুজপুরী তে ঢুকেছিলাম আমরা। মাঝে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজেও একটু উকি মারার সুযোগ হয় আমাদের। এত্তসব দেখতে দেখতে কখন যে বাসে বসে থাকা সময়টা কেটে যায় কেউই টের পাইনি।


আমরা পৌছাতে পৌছাতে তখন বেলা ১০ টা হতে কিছু বেশি। পদ্মার সুবিশালতা দেখার সাথে সাথেই সবাই এক লাফে বাস থেকে নেমে পড়ি। একদৌড়ে সবাই পদ্মার পাড়ে; পানি ছোব। তখনই হঠাৎ পেট মোচড় মারলো ;বুঝলাম সকালে নাস্তা করা হয়নি 😛 যাক সকালের নাস্তা কোনমতে খাবার পর কেউ আর বসে থাকিনি । একদৌড়ে পদ্মার যত কাছে যাওয়া যায় 😛 প্রচন্ড গরম লাগছিলো ;প্রত্যেকেরই মনে হচ্ছিল মাটির এ দেহে জামা কাপড় রেখে কি লাভ !! । খালি গায়ে সবাই বাতাস লাগানো শুরু করে দিলাম (শুধু উপরের পার্ট 😛 , বি পজিটিভ )। তবে হঠাৎ মাথায় দোল খুললো আরেকটু ঘেমেই না হয় নদিতে নামা যাবে;আশেপাশের গ্রাম ঘুরে দেখলে কেমন হয় 😀 যেই ভাবা সেই কাজ, ঢুকে পড়লাম নিকটবর্তী গ্রামটীতে। নদীর পাড় ধরে হাটা শুরু করে দিলাম সবাই। আমরা প্রত্যেকেই যত হাটছিলাম আর সত্যি হারিয়ে যাচ্ছিলাম। অসাধারণ একটি গ্রাম। নদীর পাশ দিয়ে যাবার সময় আমাদের দেখার সুযোগ হয় একপাশে গ্রামের সবুজ আভা আরেক পাশে নদীতে জাহাজ আর ছোট ছোট জাহাজের আনা-নেওয়া। মাঝিদের নোঙর ফেলার খেলা আরো কত কি বলে শেষ করা যাবেনা।


গ্রামে কিছুক্ষণ বেড়িয়ে আমরা ও যখন ঘর্মাক্ত তখনই সবাই দৌড় দিলাম পদ্মার বুকে। পানির সাথে সবাই লীলাখেলা শুরু করে দিলাম। ঝাঁপ ঝাঁপ এবং ঝাঁপ ক্লান্তিহীন ভাবে শুধু ঝাঁপ দিয়েই গেছি সবাই। চক্কর বরাবরের মতই ভিন্নধর্মী স্টাইলে চলে ;এবারও তার ব্যতিক্রম হলনা । চক্কর পার্ট টু এর অফিসিয়াল মিটিং আমরা করেছিলাম রানওয়েতে আর চক্কর পার্ট থ্রি এর অগ্রিম মিটিং করে নিলাম পানির মধ্যেই 😛

যাক সে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা ^_^ পদ্মার বুকে ঝাপাঝাপির মাঝে মাঝেমধ্যেই পদ্মা আমাদের মাঝ নদীতে ডাক দিচ্চিল। যারা সাঁতার পারে তারা ভালোই কিছুটা টান অনুভব করে আসলো। আমি আর রিয়াদ-ই কেবল হাটু জ্বলে মাটি আঁকড়ে ছিলাম 😥 যাক এ মহান সাঁতারুরা আমাদের সাঁতার শিখতে অনুপ্রাণিত করলো ,কিছুক্ষ্যণ শেখানোর চেষ্টা ও করলো তারা। এসময় হটাৎ করেই আমাদের দালাল খ্যাত রাজিব হালদার প্রত্নতাত্বিক হয়ে গেলো তিনি তার অশেষ প্রচেষ্টায় একখানা চিংড়ি আর একটি রৌপ্যমুদ্রা উদ্ধার করেন ।

 

তা দেখে আমাদের আফফান ভাই হঠাত টিভি ক্যামেরামেন হয়ে গেলো সাথে হোস্ট সাইফুল ইসলাম। টিভি ক্যামেরা পেয়ে সবাই টেলিকাস্ট হবার লোভে ঝেঁকে ধরলো রাজিব ভাইকে।

সবাই তাদের অভিজ্ঞটা শেয়ার করলো :v :v যাক হঠাৎ শোনা যায় আমাদের সাইফুল নাকি পদ্মার বুকে তার একমাত্র সম্বল লেংটি টা হারিয়েছেন। তার শোকে আমরা সবাই একমিনিট নিরবতা পালন করি। ক্যামেরা তিনি জানালেন তিনি প্রয়োজনে পদ্মার নামে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করবেন :v :v সাথে সাথেই ফেসবুকে ইভেন্ট খোলা হয় যাতে ২৫ লক্ষ্য গোয়িং পড়ে এবং আমাদের আন্দোলনের চাপে পড়ে শেষমেশ পদ্মা তার স্মভ্রম ফিরিয়েদিতে বাধ্য হয়।আর আমরাও পদ্মা ত্যাগ করে মাটিতে পা ছুই।

 দুপুরের খাবার মেনুটা বেশী জোস হোয়ে গিয়েছিল ।আমরা ভাজী দিয়ে কেবল ভাত খাওয়া শুরু করেছি ;একদিকে প্রচণ্ড ক্ষুধা আর অন্যদিকে পদ্মার ইলিশের গন্ধ ^_^ বেঁচে থাকার জন্যে আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আর কোন পথ ছিলো না । আরে পদ্মায় গিয়েছি ইলিশ ছাড়া খাওয়া হয় নাকি 😛 ^_^ আগেই বলেছি দুপুরের খাবার বেশি জোশ হয়ে গেয়েছিলো যা ফলশ্রুতিতে কেউ আর নড়তেই পারছিলাম না 😛 কিছুক্ষ্যণ বিশ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনপরিবহনের মাধ্যমে আমাদের ভ্রমণ শেষ হয়।
তবে এ বিদায় শেষ বিদায় নয় ।পদ্মার পানির টানে ,ইলিশ এর টানে আবার আসবো ^_^ এখানে 😀

ঢাকার ভেতর দালানকোঠা আর যানযটের সাথে ফ্রি ধুলাবালি খেতে খেতে যখন আমরা বোরিং ছিলাম ,তখন এ ট্যুর টি সত্যি আমাদের সবাইকে এক আলাদা তৃপ্তি এনে দিয়েছে :v :p

অসাধারণ একটি ট্যুর ব্যবস্থাপনা করার জন্যে চক্কর টিমের সাইফুল আর রাজীবকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আজকে যারা যারা ভ্রমণ সঙ্গী ছিলেন তাদেরকেও অনেক ধন্যবাদ,আশা করি ভবিষ্যতে সবাইকে পাশে পাওয়া যাবে

জীবন ও প্রশ্ন

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

জীবনে প্রত্যেকেই সবচেয়ে বেশী যে জিনিসটির সম্মুখীন হয় তা হল প্রশ্ন। এ থেকে আবাল বৃদ্ধ বনিতা কেউ কখনো রেহাই পায়নি, পাবেওনা। যেখান থেকে জীবন শুরু, যেখানে ও প্রশ্ন ;যেখানে মৃত্যু সেখানেও। লুকিয়ে থাকাও সম্ভব নয়, সেখানেও প্রশ্ন আসবে। জীবনটাই প্রশ্নময়। পালানোও সম্ভব না, ইগনোর করা ও সম্ভব না। খেলতে গেছেন, একটি সহজ ক্যাচ মিস করেছেন ,প্রশ্ন আসবে। খেলতে না গেলেও প্রশ্ন আসবে। বাসায় দেরি করে ফিরলে ও প্রশ্ন আসবে, আগে ফিরলেও প্রশ্ন আসবে। ফোনে কথা বলছেন প্রশ্ন থাকবেই, প্রেম করছেন প্রশ্ন থাকবেই: জান কি কর?সত্যি কি আমায় ভালবাসো? , বিপদে পড়েছেন প্রশ্ন আসবেই। একটু রিলাক্স করবেন তাও প্রশ্ন আসবে। উত্তর দেন আর নাই দেন প্রশ্ন আসবেই। উত্তর না দিলে প্রশ্ন আরো বেশী আসবে।মরে গেলে ও প্রশ্ন  থেকে  রেহাই নেই। জেলে যাবেন সেখানেও প্রশ্ন, ভাই কি করছিলেন? বাসে উঠবেন সেখানেও মামা কই যাইবেন? ফেসবুকে চ্যাট করবেন সেখানেও কি অবস্থা? স্কুলে গেছেন, টিচার :পড়া পার তো? রিকসায় উঠবেন তখনতো নিজেই প্রশ্ন করবেন মামা কত? ডিম কিনতে গেছেন সেখানেও জিজ্ঞেস করবেন হালি কত? প্রশ্ন প্রশ্ন আর প্রশ্ন সাথে কিছু উত্তর;তারপর আবার অজস্র প্রশ্ন যার কোন উত্তর নেই। যদিও উত্তর সীমিত  এদুটি নিয়েই জীবন
জীবন শেষ হয় তবে প্রশ্ন শেষ হয় না।
অস্তিত্ব আর প্রশ্ন এদুটিই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সারথী

Òny Khán

ঝি ঝি পোকা আর ঢাকা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

বিষাক্ত গ্যাস আর ঝোপঝারবিহীন ঢাকা শহরে ঝিঝি পোকার ডাক শোনা সত্যিই পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার।
প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এসে ভিড় করছে এখানে। কেউ কাজের আশায় কেউবা পড়াশুনার আশায়। যার ফলে প্রভাব পরছে শহরটির উপর। এসব খেত্রে পরতিক্খনেই বলি হচ্ছে রাজধানী মর্যাদা পাওয়া ঢাকা। বাড়ছে গাড়ি বাড়ছে বাড়ি আরও বাড়ছে মানুষ শুধু কমছে সবুজের ছবি।
লক্ষ করলেই দেখবেন সবুজের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। যা দু একটা আছে তাও বিকৃত মনের কিছু মানুষ ধংস করছে। নিঃপাপ উদ্ভিদটিকে সরিয়ে তারা বুনছে টাকার গাছ তথা ফ্লাট। একসময় যে ধানমন্ডি, গুলশান এলাকা ধানক্ষেতে ভরপুর ছিল তারতো কোন চেহারাই নেই। এখন রাস্তার পাশের গাছগুলাই একমাত্র সম্বল। কিন্তু এগুলো ও রেহাই পাচ্ছে না

এ জন্য প্রধান কারণ ই হল আমজনতার ঢাকামুখী আগমন। এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি ব্যার্থতা বলতে হয়। কেন শুধু ঢাকা? আর কোন জায়গা কি নেই? পর্যাপ্ত সুযোগ ও সুবিধা যদি অন্যান্য শহরে ও নিশ্চিত করা হত তাহলে কেউ কি সাধে এখানে আসত? আর এমন পরিবেশ সৃষ্টি হত?
কেন সবকিছু সুধু এখানেই?
গত বছরের জরিপে সারা বিশ্বের মধ্যে ঢাকা সবচেয়ে নোংরা শহর এর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। এবার হয়তো প্রথম হবে। 😦
সরকারের উচিত অন্যান্য জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি অফিস গুলোর মান বাড়ানো। পাশাপাশি বেসরকারি কোম্পানি গুলোকেও তাদের নিজেদের প্রচারে অন্যান্য জেলায় ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে হবে। এতে ঢাকার উপর চাপ অনেকটা কমে যাবে। বাড়ির কাছেই যদি ব্যক্তি তার কাঙ্খিত সুবিধা পায় তবে সে কেন ঝোপঝার বিহীন ঢাকায় আসবে?এমনিতেই বুড়িগঙ্গা ধংস হয়ে গেছে এখন বাকি শুধু ডাঙা টুকু।
জানি এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যপার কিন্তু অসম্ভব নয়।সুধু টনক নড়াই জরুরি। চাইলেই সম্ভব।
এতে একটু হলেও হয়তো রাস্তায় বের হয়ে নিঃশ্বাস নিতে পারব। সন্ধ্যার পর ঝিঝি পোকার ডাক শুনতে পারব।।